গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রণীত খসড়া আইনটি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং (আইনগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা) সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে খসড়া আইনের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে জানানো হয়, র্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে এসআরবি প্রতিষ্ঠা করা হবে। এই আইনে সাধারণ নাগরিকদের অভিযোগ এবং এসআরবি সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভাব-অভিযোগ বা ক্ষোভ নিষ্পত্তির জন্য একটি ‘বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইউনিটের কার্যক্রম-সংক্রান্ত অভিযোগ ও অভ্যন্তরীণ বিষয়াদির সমাধান করা যাবে।
এ ছাড়া বিলুপ্ত হতে যাওয়া র্যাবের যাবতীয় জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে নতুন এই খসড়া আইনে। নতুন বিধিমালা প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত র্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিদ্যমান বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজন সাপেক্ষে বহাল রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে।
